
এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার নাসীখালে দৃষ্টিনন্দন ব্রীজ হওয়ার খুশিতে উৎফুল্ল লোক জন। ফলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যাপক আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। তৎকালীন সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। জানা যায়,২০১৮ সালের দিকে ঈদগাঁও ইউপির মাইজ পাড়ার সামাজিক সংগঠন ইয়াং ভয়েজার্স উদ্যােগে দিদারুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, মামুন অর রশিদ, সরওয়ার কামাল, শারমিন সুলতানা রুহী, ছৈয়দ করিম শাহজালাল, আয়াত উল্লাহ,রিয়াদ, জিয়াবুল করিম,ইয়াছিন আরাফাত টুটুল, তারেক আজিজ,রাজিবুল হক রিকো,ফরিদ,আনোয়ার সহ অনেকে তৎকালীন সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমলের কাছে নাসী খালের উপর ব্রীজ নির্মানের দাবীতে আবেদন করেছিলেন। ঐ আবেদনের প্রেক্ষিতে গেল ২০২৪ সালের মার্চের দিকে সেতুর পাইলিং কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারী/ ফেরুয়ারীর দিকে দৃষ্টিনন্দন সেতুতে রুপ লাভ করে এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে চলাচল শুরু করেন নানান শ্রেনী পেশার মানুষ। ছৈয়দ করিম ও মামুন ইয়াং ভয়েজার্সের পক্ষে ব্রীজ নির্মান দাবীতে আবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম, ইউপি সদস্য বজলুল রশিদসহ অনেকেই ব্রীজ নির্মানে সহযোগিতা করেছিলেন তৎকালীন। সূত্র মতে,পারাপারে ব্রীজ না থাকায় দীর্ঘবছর ধরে নাসী খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের নির্মিত তক্তায় ভর করে দৈনিক শত শত লোকজন নানা কাজকর্মে আসা যাওয়া করেছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাঙ্গনে যাতায়াত করেছিল কষ্টের বিনিময়ে। ব্রীজ দিয়ে ঈদগাঁওর বৃহত্তর মাইজ পাড়ার মানুষ ছাড়াও অন্য এলাকার লোকজনও চলাফেরা করতো প্রতিনিয়ত। যানবাহন নিয়ে পারাপার তো দূরের কথা, একা পায়ে হেটে যাওয়াও কষ্ট সাধ্য হয়ে পড়েছিল।জানা যায়, খালে একটি কাঠের সাঁকো নির্মান হয়েছিল, তখনকার সেটি বর্ষামৌসুমে ঢলের পানির তোড়ে ভেঙ্গে যায়। এরপর থেকে এলাকাবাসীর একান্ত সহযোগিতায় কাঠের সাকোঁর মত তক্তার ব্রীজ দিয়ে চলাচল করেছিল। দীর্ঘবছর পর হলেও গ্রামীন সড়ক হয়ে মহাসড়ক লাগােয়া টেকসই ব্রীজ নির্মাণ হওয়ায় মহাখুশিতে উৎফুল্ল স্থানীয়রা। স্থানীয় মেম্বার বজলুর রশিদ জানান, গ্রামীণ জনপদের ব্রীজটি ৫ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সাবেক চেয়ারম্যানসহ এলাকার নানান শ্রেনী পেশার মানুষের সহযোগিতায় নান্দনিক ব্রীজে রুপান্তরিত করা হয়।সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম জানান, দীর্ঘ ৫০ বছর পর নাসীখালের উপর সাবেক সাংসাদ সাইমুম সরওয়ার কমলের অর্থা য়নে ব্রীজটি নির্মিত হয়েছে। ফলে এলাকার লোকজনও চৌফলদন্ডী সহ আশপাশ এলাকার মানুষ এবং যানবাহন ব্রীজ পার হয়ে সহজে মহাসড়কে আসা যাওয়া করছেন। যোগাযোগ অনেকটাই সহজতর হয়ে উঠেছে।
